দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির করা একটি আপিল আবেদন ফেরত দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার অফিস।
১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড দুর্নীতি মামলায় সাজা স্থগিতের আবেদন নিষ্পত্তি না করে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে এই আপিল করা হয়েছিল।
দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়, রেজিস্ট্রার অফিস আপিলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি তুলে আবেদনটি ফেরত পাঠিয়েছে। তাদের মতে, ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার চাওয়ার উপযুক্ত ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট নয়, বরং ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্ট (এফসিসি)।
তবে ইমরান খান ও বুশরা বিবির আইনজীবী সালমান সাফদার এই অবস্থানের বিরোধিতা করেছেন। তার দাবি, পাকিস্তানের সংবিধানের ১৮৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে এই আপিল করা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য।
আপিলে বলা হয়, ১৯৯৯ সালের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি অর্ডিন্যান্সের ৩২এ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টের কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এফসিসিতে দ্বিতীয় আপিলের সুযোগ থাকলেও জামিন বা সাজা স্থগিতের আবেদনসংক্রান্ত আদেশের ক্ষেত্রে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তাই সুনির্দিষ্ট আইনগত প্রতিকারের অনুপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টই এ বিষয়ে উপযুক্ত ফোরাম।
গত মে মাসের শুরুতে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট সাজা স্থগিতের আবেদনটি নিষ্পত্তি করে। আদালত বলেছিল, মূল আপিলের শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়ে যাওয়ায় পৃথকভাবে সাজা স্থগিতের আবেদন বিবেচনার প্রয়োজন নেই।
সুপ্রিম কোর্টে করা আপিলে ইমরান খান বলেন, কারাগারে থাকার সময় তিনি চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসার জন্য তাকে কারাগারের বাইরে নেওয়া হয়েছিল। গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাকে বন্দি রাখা অন্যায্য এবং দীর্ঘদিনের নির্জন কারাবাস তাকে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলেছে।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, সাজা স্থগিতের আবেদনটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে তথ্য-প্রমাণ মূল্যায়ন না করেই আবেদনটি খারিজ করা হয়েছে, যদিও আদালতের মামলার মেরিট বিবেচনার ক্ষমতা রয়েছে।
এছাড়া ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (নাব) বারবার সময় চেয়ে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। আপিলে ইমরান খানের দাবি, তার গ্রেপ্তার ছিল বেআইনি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
জে আই